১. প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণ শুরু করেন কোচবিহারের মানুষকে রাজবংশী ভাষায় এবং বাংলা ভাষায় নমস্কার জানিয়ে। তিনি মদন মোহন ঠাকুর, বাণেশ্বর মহাদেব এবং গোসানীমারি কামতেশ্বরীর আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন।

২. পরিবর্তনের বার্তা: তিনি উল্লেখ করেন যে ব্রিগেড গ্রাউন্ডের জনসভা থেকে শুরু হওয়া ‘পরিবর্তন মহাযাত্রা’ এখন সারা বাংলায় ছড়িয়ে পড়েছে। তাঁর মতে, বাংলার মানুষ এখন একটিই আওয়াজ তুলছে—”পাল্টানো দরকার”।

৩. তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ: প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন যে তৃণমূল সরকার সাধারণ মানুষের সম্পত্তি লুট করছে এবং দুর্নীতি ও তোলাবাজির সাথে যুক্ত। তিনি সন্দেশখালি এবং মালদহের বিচারকদের ওপর হামলার ঘটনার উল্লেখ করে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কথা বলেন।

৪. কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বাধা: তাঁর মতে, কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের জন্য অনেক প্রকল্প হাতে নিলেও রাজ্য সরকার তাতে বাধা সৃষ্টি করছে। মালদহ, বালুরঘাট এবং হাসিমারা বিমানবন্দরের উন্নয়নের কাজ ঝুলে থাকার জন্য তিনি রাজ্য সরকারকে দায়ী করেন।

৫. নারী শক্তি ও কৃষকদের কথা: প্রধানমন্ত্রী বলেন যে বিজেপি সরকার নারীদের সম্মান এবং সুরক্ষার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তিনি লোকসভা ও বিধানসভায় ৩৩% নারী সংরক্ষণের বিষয়টি উল্লেখ করেন। এছাড়াও কৃষকদের উন্নতির জন্য বিজেপিই একমাত্র বিকল্প বলে তিনি দাবি করেন।

৬. অনুপ্রবেশ ও দুর্নীতি: অনুপ্রবেশকারীদের মদত দিয়ে তৃণমূল সরকার বাংলার পরিচয় বদলে দিচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। উত্তরবঙ্গের মানুষের ওপর হওয়া অন্যায়ের হিসেব নেওয়ার সময় এসেছে বলে তিনি হুঙ্কার দেন।

৭. ভোটের আবেদন: সবশেষে তিনি জনগণকে আসন্ন নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থীকে ভোট দিয়ে একটি ‘ভয়মুক্ত’ ও ‘দুর্নীতিমুক্ত’ বাংলা গড়ার আহ্বান জানান এবং “ভারতমাতা কি জয়” ও “বন্দে মাতরম” ধ্বনি দিয়ে ভাষণ শেষ করেন।






