সানি রায়ঃ জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ ব্লকের একটি প্রাথমিক স্কুলে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে, যা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জানা গেছে, গত শনিবার স্কুলে মিড-ডে মিলের বদলে ছাত্রদের বিস্কুট দেওয়া হয়। দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্র অভিযোগ করে যে তাকে অন্যদের তুলনায় কম বিস্কুট দেওয়া হয়েছে।
সে আরও বিস্কুট চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষক নাজির শাহ নাকি তাকে লাথি মারেন। এতে ছেলেটি ধাক্কা খেয়ে ক্লাসরুমের দেওয়ালে লাগে এবং তার নাক-মুখ দিয়ে রক্ত বের হতে শুরু করে। বাড়ি ফিরে ছাত্রটি পুরো ঘটনা পরিবারের সদস্যদের জানায়।
এরপর পরিবারের তরফে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। পরদিন ছাত্রটির বাবা স্কুলে গিয়ে অভিযোগ জানাতে চাইলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, ওই শিক্ষক ছাত্রের বাবার ওপর চড়াও হন এবং তাকে একটি ঘরের ভিতরে আটকে রাখেন। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই অন্যান্য অভিভাবক ও স্থানীয়রা স্কুলে ছুটে আসেন। তাদের সঙ্গেও শিক্ষক দুর্ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
পরে খবর পেয়ে রাজগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। অভিযোগ, শিক্ষক পুলিশের সঙ্গেও অসভ্য আচরণ করেন। এরপর পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযুক্ত শিক্ষকের বদলির দাবিতে অভিভাবকরা বিক্ষোভ দেখান। তাদের অভিযোগ, এর আগেও ওই শিক্ষক এমন আচরণ করেছেন।

ধূপগুড়িতে রাজনৈতিক ‘জয়েনিং’ ঘিরে বিতর্ক: একদিন তৃণমূল, পরদিন ফের বিজেপি—কটাক্ষে সরগরম ভোটের মাঠ
এদিকে, স্কুলের প্রধান শিক্ষক আখতার ইসলাম জানিয়েছেন, অভিযুক্ত শিক্ষকের মানসিক সমস্যা থাকতে পারে। বিষয়টি ইতিমধ্যেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।




